SHARE

দিনের বেলায় যেমনি রোদের প্রখর তাপ, তেমনি সন্ধ্যা হলেই মৃদ কুয়াশায় মুখোরিত হচ্ছে পথ-ঘাট। বিন্দু বিন্দু শিশির জমতে শুরু করেছে ঘাসের ডগায়, ধানের শীষে। সারা দেশে শুরু হয়েছে শীতের আগমন বার্তা। শীতে যখন শরীর চিপে আসে ঠিক তখনই একটু মধু খেয়ে নিলেই শরীর আবার চাঙ্গা হয়ে ওঠে , অবশ্যই তা হতে হবে খাটি প্রাকৃতিক মধু, কৃত্রিম মধু নয় । মধু খাদ্য , পানীয় ঔষধ , এর গুনা গুণ নিয়ে নতুন করে বলার কিছুই নেই ।

তারপরও চলুন একটু দেখে আসি মধুর উপকারি দিক সমূহ-
—মধু ফ্যাট কমায়, ফলে ওজন কমে।
—মধু প্রাকৃতিকভাবেই মিষ্টি। তাই মধু সহজে হজম হয়।
—চোখের জন্য ভালো।
—গলার স্বর সুন্দর করে।
—শরীরের ক্ষত দ্রুত সারায়।
—আলসার সারাতে সাহায্য করে।
—নালীগুলো পরিষ্কার করে।
—ঠাণ্ডা লাগলে জ্বর, গলাব্যথায় ভালো ওষুধ হিসেবে কাজ করে।
—মধু এন্টি অক্সিডেন্ট, যা ত্বকের রং ও ত্বক সুন্দর করে। ত্বকের ভাঁজ পড়া ও বুড়িয়ে যাওয়া রোধ করে।
—বুদ্ধিবৃত্তি বাড়ায়।
—শরীরের সামগ্রিক শক্তি বাড়ায় ও তারুণ্য বাড়ায়।
—ঠান্ডায় মধু নিয়মিত খেলে অতিরিক্ত ঠান্ডা লাগার প্রবণতা দূর হবে।
—মধুতে রয়েছে ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স, যা রক্তশূন্যতা, ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
—চা, কফি ও গরম দুধের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে হাঁচি, কাঁশি, জ্বর জ্বর ভাব, টনসিল, নাক দিয়ে পানি পড়া, জিহ্বার ঘা (ঠান্ডাজনিত) ভালো হয়।
—মধুর গুরুত্বপূর্ণউপকরণ ক্যালসিয়াম। ক্যালসিয়াম হাড়, চুলের গোড়া শক্ত রাখে, নখের ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধি করে, ভঙ্গুরতা রোধ করে।

হয়তো প্রশ্ন আসতে পারে খাটি মধু চিনবো কিভাবে ?
আসুন তাহলে জেনে নেই খাটি মধুর কিছু বৈশিষ্ট্য –
►খাটি মধুতে কখনো কটু গন্ধ থাকে না।
►মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক কোনো বিষাক্ত উপাদান প্রাকৃতিক গাছে থাকলেও তার প্রভাব মধুতে থাকে না।
►মধু সংরক্ষণে কোনো পৃজারভেটিভ ব্যবহৃত হয় না। কারণ মধু নিজেই পৃজারভেটিভ গুণাগুণ সম্পন্ন পুষ্টিতে ভরপুর খাদ্য।
►মধু উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাত, নিষ্কাশন, সংরক্ষণ ও বোতলজাতকরণের সময় অন্য কোনো পদার্থের সংমিশ্রণ প্রয়োজন হয় না।
►খাটি মধু পানির গ্লাসে ছাড়লে তা সরাসরি ঐ অবস্থায়ই গ্লাসের নিচে চলে যায়।
তাহলে কি চলুন এই শীতে আমাদের সংঙ্গী হোক খাটি সুন্দরবনের মধু . আর চলে যাই এই লিংকে: সুন্দরবনের খাটি মধুsundarbans-pure-honey-from-

NO COMMENTS