Honey

Honey

এই গরমে ত্বকের ক্লান্তি দূর করুন মধু ও লেবুর প্যাক দিয়ে

0

গরমে মধু ও লেবুর প্যাকের উপকারিতা প্রচুর। মাস্ক হিসেবে বা টোনার হিসেবে দুভাবেই ব্যবহার করতে পারেন। কোনও প্যাক লাগানোর পর টোনার হিসেবে লাগাতে পারেন বা এমনিও মুখ পরিষ্কার করে লাগিয়ে নিতে পারেন। রোদে পোড়া ভাব দূর করতে, ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সবকিছুতেই ভীষণ ভাল কাজ করে এই প্যাক। কোথাও যাওয়ার আগে হঠাত্ ক্লান্তি দূর করতে বা ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে লাগিয়ে নিতে পারেন এই প্যাক।

 

কী কী লাগবে-

মধু-২ টেবিল চামচ

লেবুর রস-২ টেবিল চামচ

কীভাবে লাগাবেন-

মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে আধ ঘণ্টা রেখে দিন। জল দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে পুরো মুখে লাগান মধু-লেবুর মিশ্রণ। ১৫ মিনিট পর ঠান্ডা জলে মুখ ধুয়ে পরিষ্কার তোয়ালে দিয়ে আলতো করে মুখ মুছে নিন।

 

সুন্দরবনের খাটি মধু কিনতে ভিজিট করুন: ‍Pure-Honey

মধু খাওয়ার ১২টি স্বাস্থ্য উপকারিতা

0

মধু তার অসাধারণ ঔষধি গুনের কারনে প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। মধুর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন বি১, বি২, বি৩, বি৫, বি৬, আয়োডিন, জিংক ও কপার সহ অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান যা আমাদের শুধুমাত্র দেহের বাহ্যিক দিকের জন্যই নয়, দেহের অভ্যন্তরীণ অঙ্গ প্রত্যঙ্গের সুরক্ষায় কাজ করে।
সর্বগুন সম্পন্ন এই মধুর গুনের কথা বলে শেষ করা যাবে না। স্বাস্থ্য সুরক্ষা, চিকিৎসা, সৌন্দর্য চর্চা- কোথায় নেই মধুর ব্যবহার? আসুন দেখে নেয়া যাক মাত্র এক চামচ মধু কি কি অসাধারণ উপকারে লাগতে পারে আপনার।

১) মধু হিউম্যাকটেন্ট যৌগে সমৃদ্ধ। এই যৌগটি ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখার কাজ করে এবং ত্বকের উপরিভাগের ইলাস্টিসিটি বজায় রাখে। হিউম্যাকটেন্ট যৌগটি ত্বককে নমনীয় করতেও সাহায্য করে। ফলে ত্বক থাকে দীর্ঘদিন বার্ধক্যের ছাপ মুক্ত। প্রতিদিন সকালে এক চামচ মধু রঙ চা কিংবা দুধের সাথে খেতে পারেন। সেই সাথে আপনার রোজকার ফেস প্যাকেও ব্যবহার করতে পারেন মাত্র এক চামচ মধু। মধু ত্বকের উপরিভাগের মৃত কোষ দূর করে ও মুখের ত্বকে ভাঁজ পড়া রোধ করে।

২) মধু শরীরের ক্ষত, পোড়া ও কাটা জায়গার চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। মধুতে মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান যা ক্ষত, পোড়া ও কাটা জায়গায় ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি প্রতিরোধ করে। কোথাও পুরে, কেটে গেলে ক্ষত স্থানে মধুর একটি পাতলা প্রলেপ দিয়ে দিন। ব্যথা কমবে ও দ্রুত নিরাময় হবে। মধুতে আছে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান যা ক্ষত পরিষ্কার হতে সাহায্য করে ও ব্যথা, ঘ্রাণ, পূঁজ ইত্যাদি হ্রাস করে দ্রুত ক্ষত নিরাময় করে।
৩) মধুতে রয়েছে অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদান যা ছত্রাক ও অন্যান্য কারনে ক্ষতিগ্রস্থ ত্বককে ঠিক করতে সাহায্য করে ও নতুন ত্বক গঠনে ভূমিকা রাখে। চর্মরোগ হলে নিয়মিত আক্রান্ত স্থানে মধু লাগান। এক চামচ মধুর সাথে অল্প পানি মিশিয়ে ব্যবহার করুন।

৪) মধুতে আছে প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমূহ যা সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির বিরুদ্ধে কাজ করে শরীরের চামড়াকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। অনেকটা প্রাকৃতিক সানস্ক্রিনের কাজ করে মধু। রোদে পোড়া ত্বককে স্বাভাবিক করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এক চামচ মধুর সাথে পানি মিশিয়ে প্রতিদিন মুখে ফেস প্যাকের মতন লাগান। রোদে পোড়া জনিত কালো দাগ দূর হয়ে চেহারা হবে ঝলমলে।

৫) মধুতে বিদ্যমান গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ এবং শর্করা শরীরে শক্তি সবরাহের কাজ করে। প্রতিদিন সকালে ১ চামচ মধু সারাদিনের জন্য দেহের পেশীর ক্লান্তি দূর করতে সহায়তা করে ও আপনাকে রাখে এনার্জিতে ভরপুর।

৬) প্রতিদিন ১ গ্লাস পানিতে ১ চামচ মধু মিশিয়ে পান করলে মধুতে বিদ্যমান ক্যালসিয়াম রক্তে প্রবেশ করে। এবং রক্তে হিমোগ্লোবিনের ভারসাম্য বজায় রাখে। এভাবে মধু রক্তস্বল্পতা রোগকে প্রতিরোধ করে।

৭) মধু ঠোঁটের ওপরের শুষ্ক ত্বক ও কালচে ভাব দূর করে ঠোঁটকে নরম ও গোলাপি করে তুলতে সহায়তা করে। রাতে ঘুমের পূর্বে নিয়মিত ঠোঁটে মধু লাগান। ঠোঁট হয়ে উঠবে নজর কাড়া সুন্দর।

honey-post-new

৮) মধুর ভিটামিন বি১, বি২, বি৩, বি৫, বি৬, সি কপার , আয়োডিন ও জিংক দেহে এইচডিএল (ভালো) কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে এবং খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। ফলে মধু কোলেস্টেরল সংক্রান্ত রোগ থকে দেহকে মুক্ত রাখে। দিনে অন্তত এক চামচ মধু খেয়ে নিন,যেভাবে আপনার ভালো লাগে।

৯) সাইনাসের কিংবা শ্বাসপ্রশ্বাসের যে কোন সমস্যা থেকে মধুর প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমূহ দেহকে মুক্ত রাখে। চা কিংবা উষ্ণ পানির সাথে মধু মিশিয়ে প্রতিদিন পান করলে উপকার পাওয়া যাবে।

১০) প্রতিদিন মধু খাওয়া হলে দেহের ইমিউন সিস্টেমের উন্নতি হয়। ফলে আমাদের দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। সহজে অসুখ বিসুখ ও জীবাণুর সংক্রমণ হয় না।

১১) মধু ওজন কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন সকালে ১ গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ১ চামচ মধু মিশিয়ে পান করলে আমাদের হজম শক্তি বাড়ে ও ফলে খাবারের ক্যালোরি দ্রুত ক্ষয় হয়। এতে ওজন কমে যায়। চিনির বদলে মধুর ব্যবহার মুটিয়ে যাওয়ার হাত থেকেও রক্ষা করে।

১২) যাদের খুসখুসে কাশির সমস্যা আছে, তারা প্রতিদিন এক চামচ আদার রসের সাথে এক চামচ মধু মিশিয়ে খেয়ে নিন। দ্রুত আরোগ্য হবে।
লেখাটি পছন্দ হইলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

সুন্দরবনের খাটি মধু কিনতে ভিজিট করুন: ‍Pure-Honey

মৌমাছির বাসা

0

মৌমাছি যে বাসায় থাকে তা অনেকগুলো চাকের সমষ্টি। এ চাকগুলো একের সঙ্গে অন্যটি সমান্তরালভাবে অবস্থান করে। প্রতিটি চাকেই অসংখ্য প্রকোষ্ঠ রয়েছে। প্রকোষ্ঠ ষড়ভুজ আকৃতির। এসব প্রকোষ্ঠে বাচ্চা মৌমাছিরা বড় হয় এবং মধু ও পরাগরেণু জমা থাকে। প্রকোষ্ঠ মোম দিয়ে তৈরী। শ্রমিক মৌমাছির গায়ের মোমগ্রন্থি থেকে এ মোম নিঃসৃত হয়।

মোম ছাড়াও বাসা নির্মাণে শ্রমিক মৌমাছি রেসিন জাতীয় পদার্থ ব্যবহার করে। গাছের কুঁড়ি ও অন্যান্য অংশ থেকে এ পদার্থ যোগার করা হয়। এ পদার্থকে বলা হয় প্রোপোলিজ। এর ব্যবহারের ফলে বাসার গঠন শক্ত হয়। মৌমাছির শরীরের আকার ও আয়তন অনুযায়ী প্রকোষ্ঠ গুলি নির্মাণ করা হয়। রাণীর জন্য বেশ বড় প্রকোষ্ঠ নির্মাণ করা হয়। শ্রমিকদের জন্য নির্মিত প্রকোষ্ঠগুলির আকার মাঝারী।

সাধারণত মৌচাকের উপরের দিকে প্রকোষ্ঠগুলোতে মধু জমা থাকে। আর নিচের প্রকোষ্ঠ গুলোতে ডিম এবং বাচ্চা জন্মায়। মৌচাকে তীব্র খাদ্যাভাব দেখা দিলে শ্রমিক মৌমাছিরা অন্য মৌচাক থেকেও মধু চুরি করে আনে। এরা অন্য মৌচাকের আশেপাশে ঘুরঘুর করে এবং সুযোগ পেলেই চাকের মধু নিয়ে সটকে পড়ে। অনেক সময় সদল বলে আক্রমণ করে শক্তি দিয়ে প্রতিপক্ষকে পরাজিত করে পুরো চাক দখল করে নেয়।

 

খাঁটি সুন্দরবনের মধু কিনতে ভিজিট করুন: ‍Pure-Honey

ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে ব্যবহার করুন মধু ও লেবুর প্যাক।

0

গরমে মধু ও লেবুর প্যাকের উপকারিতা প্রচুর। মাস্ক হিসেবে বা টোনার হিসেবে দুভাবেই ব্যবহার করতে পারেন। কোনও প্যাক লাগানোর পর টোনার হিসেবে লাগাতে পারেন বা এমনিও মুখ পরিষ্কার করে লাগিয়ে নিতে পারেন। রোদে পোড়া ভাব দূর করতে, ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সবকিছুতেই ভীষণ ভাল কাজ করে এই প্যাক। কোথাও যাওয়ার আগে হঠাত্ ক্লান্তি দূর করতে বা ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে লাগিয়ে নিতে পারেন এই প্যাক।

কী কী লাগবে-
মধু-২ টেবিল চামচ
লেবুর রস-২ টেবিল চামচ
কীভাবে লাগাবেন-
মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে আধ ঘণ্টা রেখে দিন। পানি দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে পুরো মুখে লাগান মধু-লেবুর মিশ্রণ। ১৫ মিনিট পর ঠান্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে পরিষ্কার তোয়ালে দিয়ে আলতো করে মুখ মুছে নিন।

খাঁটি মধু কিনতে ভিজিট করুন: ‍Pure-Honey

মধুর কয়েকটি ব্যবহার

0
 
মধুর গুনাগুণ অনেক। এর মধ্যে একটি হচ্ছে এটি চুলের যত্নে বেশ কার্যকর। প্রাকৃতিক উপাদান বলে এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই। রূপসচেতন যে কারো কাছে মধু খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান ।
চুল পড়া কমাতে মধু:
চুল পড়ার সমস্যা দূর করতে একটি বাটির ২/৩ অংশ মধু ও ১/৩ অংশ পানি দিয়ে মিশিয়ে এটি চুলের গোড়ায় লাগান এবং ২/৩ মিনিট ম্যাসাজ করুন। এবার বাকি মিশ্রণ পুরো চুলে ভালো করে লাগিয়ে ৩ ঘন্টার জন্য রেখে দিন। এরপর হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ১ বার করুণ।
 
চুলের কন্ডিশনার মধু:
মধুতে থাকা এনজাইম অনুজ্জ্বল চুলকে উজ্জ্বল করে। পাশাপাশি নারকেল তেল চামড়ার বাহিরের স্তরে পুষ্টি জোগাতে সাহায্য করে। ১ টেবিল-চামচ বিশুদ্ধ মধুর সঙ্গে ২ টেবিল-চামচ নারকেল তেল মিশিয়ে রূক্ষ্ম চুলে ভালোমতো মালিশ করতে হবে। ২০ মিনিট রেখে তারপর ভালোভাবে মাথা পরিষ্কার করে ফেলুন।
DSC_0127
ব্রণ দূর করতে মধু
কিশোরী থেকে শুরু করে মোটামুটি সব বয়সের মানুষের জন্য ব্রণ একটি চিন্তার কারণ। মধুর অ্যান্টিফাঙ্গাল এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান ত্বকের লালচেভাব ও জ্বালাপোড়া কমিয়ে ত্বক ব্রণের হাত থেকে রক্ষা করবে।

খাটি মধু কিনতে ভিজিট করুন: ‍Pure-Honey

মধু ব্যবহার করার আগে কয়েকটি বিষয় জেনে নিন

0

মধু যখন ক্ষতিকর
প্রাচীনকালে নবজাতককে মধু দিয়ে বরণ করা হতো। কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞান কোনোভাবেই সদ্যজাত শিশুর মুখে মধু দিতে রাজি নয়। বিশেষ করে এক বছরের কম বয়সীদের জন্য মধু ক্ষতিকর। কাঁচা মধুতে বিষাক্ত ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে। এতে শিশু বিষক্রিয়ার শিকার হতে পারে। তবে বয়স বেশি হলে ক্ষতির মাত্রা এড়ানো যায়। কারণ, বয়সের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের হজম ক্ষমতা বাড়তে থাকে।

মধু বনাম চিনি
এক টেবিল চামচ মধুতে আছে ৬৪ ক্যালোরি। এতে কোনো ফ্যাট নেই। থাকে না কোলেস্টেরল বা সোডিয়াম। আছে ৮০ শতাংশ কার্বোহাইড্রেট আর ১৮ শতাংশ পানি। বাকি ২ শতাংশ ভিটামিন, খনিজ ও অ্যামাইনো এসিড। আর সমপরিমাণ চিনিতে আছে ৪৮ ক্যালোরি। মধুকে চিনির চেয়ে অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর বলা হয়। কারণ মধুতে সুগার অনেক কম।

মধু যখন ওষুধ
পুষ্টিবিজ্ঞানীদের মতে, আয়ুর্বেদ চিকিৎসার অন্যতম উপকরণ মধু। এতে অ্যান্টি-সেপটিক এবং অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান রয়েছে।

১. উষ্ণ দুধের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে ভালো ঘুম হয়।
২.অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান থাকায় পোড়া বা কেটে গেলে মধু বেশ উপকারী।
৩.খুশখুশে কাশি উপশমে লেবু বা আদার সঙ্গে মধু দারুণ কার্যকর।
৪.বয়স্কদের দেহে মধু শক্তি ও উষ্ণতা জোগায়।
৫.হজমে সহায়ক মধু। পাকস্থলীর যত্নও নেয়।
৬.মুখের নানা জীবাণু ধ্বংস করে।

দৈনন্দিন জীবনে মধু
১.হালকা গরম পানিতে মধু মিশিয়ে খাওয়া ভালো। খালি পেটে খেলে এসিডিটি কমে।
২.পাউরুটির সঙ্গে জ্যাম বা জেলির পরিবর্তে মধু বেশি উপকারী।
৩.রূপচর্চায় চিনির পরিবর্তে মধু বেছে নিন।
৪.পানীয়কে মিষ্টি করতে কেবল মধু ব্যবহার করা ভালো।
৫.মিষ্টিজাতীয় খাবারে অতিরিক্ত পুষ্টি জোগায়।
৬.শ্যাম্পু করার পর মধু মেশানো পানি দিলে চুল চকচকে হয়।
৭.হালকা গরম দুধের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খাওয়ালে শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

মধু খাওয়ার গল্প

0

এগুলো বাজারী কিংবা ফেরী করা মধু নয়। পুরো একশ’ ভাগ খাঁটি। কারণ মৌয়াল মৌয়ের চাকা ভাঙ্গতে তার নিজ চোখে দেখা। বাজারে খাঁটি মধু মেলা ভার। তাই বেশ দূরের এক গ্রাম থেকে এক বয়ম মধু সংগ্রহ করলেন সাবিতের আম্মু।
রোদে দিতে নামাচ্ছিলেন। সাবিত দেখে ফেললো। জিভে পানি বেড়ে যায়। ও বলে ওঠে,
: আম্মু আমাকে এক পেয়ালা মধু দাও-না।
:পাগল নাকি! বলে কি, এই গরমে কেউ এক পেয়ালা মধু খেতে চায়! একদম মারা পড়বে।
আম্মু ভাবলেন, এখন যদি চা চামচে আধ চামচও দেয়া হয়, তবে হয়েছে। স্বাদ পেয়ে আরও খেতে চাইবে। তখন সামলানোর জো থাকবে না। সকালে নাস্তার সঙ্গে পরিমাণমত সবাই মিলে খাওয়া যাবে। এখন থাক।
বেশ পীড়াপীড়ি করছে ও। আম্মু একটুও দিচ্ছেন না। বরং কড়া কন্ঠে বলে ওঠেন, চুপ। এসব আমি একদম পছন্দ করি না।
ও জানে আর এগুনো ঠিক হবে না। এ অবেলায় মধু না জুটে উল্টো অন্য কিছু এসে পড়বে হয়ত। তাই আপাতত ক্ষান্ত হয়। আব্বু অপেক্ষা আম্মুকেই জম ভয় করে সাবিত। কারণ ওর আব্বু যত ঠান্ডা, আম্মু ঠিক তত কড়া।
কি দরকারে জানি মিরপুরে মল্লিকা আন্টির বাসায় গেলেন আম্মু। সাবিত এটাই মস্ত সুযোগ মনে করলো। এখন বাসায় এক দাদু ছাড়া কেউ নেই। দাদু পাশের রুমে নাক ডাকিয়ে ঘুমুচ্ছেন। নীতি আপুও স্কুল থেকে ফিরতে আরো বেশ ক’ঘন্টা বাকি। আর কি দেরী করা যায়? হ্যাঁ পটাপট নামিয়ে ফেললো বয়মটা। বের করে খাওয়া শুরু করে দেয়।
খাচ্ছে আর ভাবছে, কে যেন বলেছিল, চিনিতে রোগ বাড়ে মধুতে সাড়ে। আব্বু ই তো একদিন আম্মুকে বলল, লাল চায়ে মধু আর লেবুয় দারুন হয়। তুমি কি জান, এক চা চামচ মধুয় কত উপকার? আবার ভিটামিন বি-১,২,৩,৪,৫,৬ এর সব নাকি সিরিয়াললি আছে। উফ্ দারুন মজা! আরও আগে খাওয়া দরকার ছিল। কিন্তু এরি মধ্যে বেজায় কান্ড ঘটে। মানে, হাত ফসকে গেল। ফ্লোরে পড়ে খান খান হয়ে যায় বয়মটি। মধুতে লেপটে যায় ঘরের পুরো মেঝে। ভয়ে সাবিতের বুক মুঠোয় ধরা চড়ুইর মতো টিম টিম করছে। হে আল্লাহ! আজ আর রক্ষে নেই বুঝি!
আরো ছোট বেলা ও একটা বাজে কাজ করতো। হোমিও ঔষধের সুগার বড়ি খাওয়ার লোভে দাদুর শিশি ইচ্ছে করে ভেঙ্গে ফেলতো। সাদা মিষ্টি বড়ি চুষে খেতো। ভাল্লাগতো । আম্মু আব্বু কেউ দেখলেই কেবল হৈচৈ করতো। একজনের ঔষধ আরেক জনে খেলে অনেক ক্ষতি হয় বলে বকাবকি করতো।
জড়সড় অবস্থা। ভাগ্যিস! দাদু এখনো টের পাননি। নেকড়া দিয়ে দ্রুত পরিষ্কারে লেগে যায় সাবিত। বয়ম ভাঙ্গা কাঁচে হাত লাগতেই সহসা কেটে যায়। ফিনকি দিয়ে রক্ত বেরোয়। মধু আর টকটকে লাল রক্তে একসা হয়ে যায়। অন্য সময় হলে অনেক কম ব্যাথায় কান্না কাটিতে পুরো বাড়ি মাথায় তুলতো। কিন্তু এখন কান্না কাকে শোনাবে? দাদুকে জানালেও বিপদ। একটুও বিলম্ব করবে না। আম্মুর আদালতে মামলা আজই ঠুকে দেবেন। ঘটনা দুদিন পর জানলে হয়ত শাস্তি কিছুটা লঘু হবে। এসব অনেক কিছুই মাথায় আসছে সাবিতের। ঠিক তখনি কলিং মিউজিক বেজে ওঠে। ওর হৃদপিন্ডের ধুকপুক যেন আরো বেড়ে গেলো। ঝটপট একদিকে গুছিয়ে কিছু দিয়ে ঢেকে রাখে ওসব।
দরজা খুলে দেয়। না, যা ভেবেছে তা নয়। দেখে, মার্কেটিং এর লোক নতুন শেম্পু, তেল, লোশন সহ নানা প্রডাক্টস বাড়ি বাড়ি নিয়ে দেখাচ্ছে।
: এই তোমাদের লাগবে, নতুন এসছে খুব ভালো এসব?
: না। বললো সাবিত।
ও আনমনা বলে ওঠে,
: মধু আছে?
: ওমা ! আমাদের কাছে মধু আসবে কোত্থেকে? কিছুটা অবাক হয়ে বলে ওদের একজন।
: অ, সরি! আমি একদম ভুলে গেছি।
আবার কি ভেবে ওই যুবকদের অনুরোধ করে বসে সাবিত, আচ্ছা ভাইয়ারা, দয়া করে একজন মধুওয়ালাকে পাঠাবেন? আমার ভীষণ প্রয়োজন মধুর।
: ঠিক আছে। যাবার পথে আমরা দেখছি। তেমন কাউকে পেলে তোমাদের এই বাড়ির ঠিকানায় পাঠিয়ে দেবো। বলে গেল এক যুবক।
এ শহরে ফেরি করা কোন কিছুই খাঁটি নেই। বিশেষ করে তরল কিছু। আর এখানে কোন কিছু পেতে বেশী দেরীও হয় না। টাকা হলেই মিলে সব। যেন বাঘের চোখ অবধি। ঘন্টাখানেকের মাথায় হাজির হলো মধুওয়ালা। হাতের পাত্র মধুতে টইটম্বুর। ওতে মধু চাকার কিছু অংশ ভাসতে দেখা যাচ্ছে। তার উপর দু’একটা মৌমাছিও নড়াচড়া করছে।
দেখে মনে হচ্ছে যেন এইমাত্র কেটে আনলো। আসলে ছাই। অর্ধেকের বেশি চিনির পানি বা অন্য কিছু মেশানো আছে। যারা অভিজ্ঞ, তারা সহজেই ধরতে পারেন। সাবিতের আম্মু এ সারিতে এক নম্বর। ক’দিন আগে বড় মামা হতে আবদার করে শ’দুয়েক টাকা পেয়েছিল সাবিত। নতুন একটা গল্পের বই কিনবে বলে। সেটা দিয়েই এখন মধু রাখতে যাচ্ছিল, ঠিক আম্মু এসে হাজির। মুখোমুখি হয় মা-ছেলে। একে অপরের দিকে চোখ ছানাবড়া করে চাওয়াচাই করছে। সাবিত চোখ নামিয়ে মাথা নিচু করে ফেললো। আম্মু চেচামেচি শুরু করার আগেই সাবিত ডুকরে কেঁদে ওঠে অনুগ্রহের আশায় হাত বাড়িয়ে দেখায়, আম্মু এই দেখ! মধু তুলতে গিয়ে বয়ম ভাঙ্গা কাঁচে এমনটি হয়েছে। তুমি আমাকে আর মেরো না। এমনিতেই খুব লেগেছে। আমি আর কক্ষনো অমন করবো না। প্লিজ ! মাফ করে দাও। সাবিতের কাটা হাত দেখে আম্মু কিছুটা হকচকিয়ে যান। ও আড়াল করে রাখায় এতক্ষণ তিনি দেখেননি। না, আম্মু আজ কিছুই করছেন না ওকে। সব অকান্ড বুঝতে পেরে ধৈর্যের বান বাঁধেন তিনি।
ডেকে আনা মধুওয়ালা থেকে সামান্য কয়েক টাকার মধু রেখে বিদায় করে দেন আম্মু। দরজা আটকিয়ে দেন। আর কাটা জায়গা পরিষ্কার করে ওষুধ লাগাতে লাগাতে বলেন, আচ্ছা বল তো, আমি কি তোকে মধু খেতে বারণ করেছিলাম? নিশ্চয়ই না। আমি একটা নির্দিষ্ট সময়ে খেতে বলছিলাম। তোর সইল না। যাকগে, এখনকার রাখা মধু খেয়ে দেখ, কেমন লাগে? ও খেতে চাচ্ছিল না। আম্মুই ওর মুখে পুরে দিয়ে জানতে চাইলেন, এবার বলতো? এগুলো ভাল লাগছে, না নষ্ট করেছিলি যে সেগুলো? ও লাজুকভাবে আঙ্গুল তুলে মাথা ঝাঁকিয়ে জবাব দেয়, নষ্ট করাগুলো। আর ঐ ভালো মধু যদি তুই বেশি পরিমাণ খেতি, তবে এতক্ষণে ডাক্তার বাড়ি দৌড়াতে হতো। কারণ খাাঁটি মধু মাত্রার অধিক খেলে গায়ে জ্বালা-পোড়া ধরে যায়। উপকার না করে উল্টো রি-অ্যাকশন করে বসে। এবার দৃঢ় কন্ঠে বলে ওঠেন আম্মু,
: ভবিষ্যতে আর এমন হবে নাতো?
: না। জড়সড় ভাবে বলল সাবিত।
: হলে, ঐ যে ঝুলানো জালি বেত, সেটা অবশ্যই ব্যবহার করা হবে।
বেতের দিকে তাকাতেই আচম্বিতে ডর বেড়ে যায় সাবিতের। ও কানে হাত দিয়ে বলে ওঠে, এই কান ধরে বলছি আম্মু! আর কখনো অমন করবো না।
: হয়েছে, খুব হয়েছে। আমাকে দেখাতে হবে না। মনের কান ধরে ঠিক থাকলেই চলবে। যাও এখন টেবিলে পড়তে বসগে।
হাপিত্তেস করেন আম্মু, হায় আল্লাহ! আমি এখন আর খাঁটি মধু কোথায় পাই?
এতক্ষণে ঘুমন্ত দাদুও জেগে উঠেছেন। খাঁটি মধুর কথা শুনে দাদু কি আর সইতে পারেন? তারও বুড়ো জিভে পানি এসে যায়। তাই তো দাদুও তার ঘর থেকে লম্বা আওয়াজে বলে ওঠেন।
বৌ মা, অ- বৌ মা ! আমাকে এক পেয়ালা খাঁটি মধুর পায়েস দাও তো ।

– মোসলেহ্ উদ্দীন সা’দী
sadi.musleh97@gmail.com

চুলের যত্নে মধুর ব্যবহার

0

সৌন্দর্য বিকাশে চুল একটি বড় ধরনের ভূমিকা পালন করে। চুল ভালো এবং সুন্দর রাখতে চাই একটু বাড়তি মনোযোগ। তাই চুলকে স্বাস্থ্যউজ্জ্বল রাখতে ব্যবহার করুন সবার অতি পরিচিত ভেষজ উপাদান মধু

চুল প্রাকৃতিক ভাবে হাইলাইটস করতেঃ
চুল প্রাকৃতিকভাবে হাইলাইটস বা কালার করতে চুল কতটা লম্বা সে অনুযায়ী মধু নিন এবং এতে টক দই দিন, যাতে মধুর আঠালো ভাবটা দূর হয়। এবার চুলের যে জায়গা হাইলাইট করতে চান, সেখানে মিশ্রণটি ভালোমতো লাগান এবং ২ ঘণ্টা রেখে চুল ধুয়ে ফেলুন। পর পর চার দিন লাগান।

চুল বৃদ্ধিতে সহায়তাঃ
২ চামচ মধু, ৩ চামচ অলিভ অয়েল এবং টক দই একসঙ্গে ভালোমতো মিশিয়ে চুলে লাগান। ৩০ মিনিট রেখে চুল শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। চুলের রুক্ষ ভাব দূর করে ময়েশ্চার এবং হেয়ার ফলিকল উজ্জীবিত করে চুল বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

চুলের ফ্রিজি ভাব দূর করতেঃ
চুলের ফ্রিজি ভাব দূর করতেও সিল্কি রাখতে শ্যাম্পু করার পর কন্ডিশনারের সঙ্গে এক চামচ মধু মিশিয়ে চুলের নিচের অংশে ভালোভাবে লাগিয়ে কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন। চাইলে কন্ডিশনারের বোতলে পরিমাণমতো মধু মিশিয়ে রেখে দিতে পারেন।

খাটি মধু কিনতে ভিজিট করুন: ‍Pure-Honey

শীতের শুরুতে শরীরের বাড়তি যত্নে মধুর ব্যবহার

0

শীতের আগমনী বার্তা চলে এসেছে। এই গরম-ঠান্ডা অবহাওয়ায় সর্দি-কাশি ও জ্বরে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। সেই সাথে শুরু হয়েছে ত্বকের নানাবিধ সমস্যা। তাই এখন থেকেই শুরু হোক বাড়তি যত্ন।

শীতে মধুর ব্যবহার
সর্বগুন সম্পন্ন এই মধুর গুনের কথা বলে শেষ করা যাবে না। স্বাস্থ্য সুরক্ষা, চিকিৎসা, সৌন্দর্য চর্চা- কোথায় নেই মধুর ব্যবহার?

এই গরম-ঠান্ডা অবহাওয়ায় সর্দি-কাশি ও জ্বরে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। প্রতিদিন সকালে ১ গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ১ চামচ মধু মিশিয়ে পান করতে পারেন।

আদা কুচি করে বা আদা চায়ের সঙ্গে মধু মিশিয়েও খেতে পারেন। সঙ্গে কয়েক ফোঁটা লেবুর রসও তুলসী পাতার রস মিশিয়ে নিতে পারেন।

খুসখুসে কাশির সমস্যাতে, এক চামচ আদার রসের সাথে এক চামচ মধু মিশিয়ে খেয়ে নিন।

শীতকালে ত্বকের আদ্রতা বজায় রাখতে নিয়মিত ১ টেবিল-চামচ পরিমাণ মধু পরিষ্কার ও শুষ্ক ত্বকে লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট পরে কুসুমগরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেললে ত্বক হবে কোমল ও মসৃণ।

শীতে ঠোঁট ফাটা রোধ করতে কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল মধুর সাথে মিশিয়ে ঠোঁটে লাগান।

প্রতিদিন সকালে চামচ মধু সারাদিনের জন্য দেহের পেশীর ক্লান্তি দূর করতে সহায়তা করে আপনাকে রাখে এনার্জিতে ভরপুর।

Honey-Benefits-for-Skinমধুর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন বি১, বি২, বি৩, বি৫, বি৬, আয়োডিন, জিংক ও কপার সহ অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান যা আমাদের দেহের বাহ্যিক এবং অভ্যন্তরীণ অঙ্গ প্রত্যঙ্গের সুরক্ষায় কাজ করে।

 

খাঁটি মধু কিনতে ভিজিট করুন: goo.gl/QS2ITX

শীতে আমাদের সংঙ্গী হোক সুন্দরবনের খাটি মধু

দিনের বেলায় যেমনি রোদের প্রখর তাপ, তেমনি সন্ধ্যা হলেই মৃদ কুয়াশায় মুখোরিত হচ্ছে পথ-ঘাট। বিন্দু বিন্দু শিশির জমতে শুরু করেছে ঘাসের ডগায়, ধানের শীষে। সারা দেশে শুরু হয়েছে শীতের আগমন বার্তা। শীতে যখন শরীর চিপে আসে ঠিক তখনই একটু মধু খেয়ে নিলেই শরীর আবার চাঙ্গা হয়ে ওঠে , অবশ্যই তা হতে হবে খাটি প্রাকৃতিক মধু, কৃত্রিম মধু নয় । মধু খাদ্য , পানীয় ঔষধ , এর গুনা গুণ নিয়ে নতুন করে বলার কিছুই নেই ।

তারপরও চলুন একটু দেখে আসি মধুর উপকারি দিক সমূহ-
—মধু ফ্যাট কমায়, ফলে ওজন কমে।
—মধু প্রাকৃতিকভাবেই মিষ্টি। তাই মধু সহজে হজম হয়।
—চোখের জন্য ভালো।
—গলার স্বর সুন্দর করে।
—শরীরের ক্ষত দ্রুত সারায়।
—আলসার সারাতে সাহায্য করে।
—নালীগুলো পরিষ্কার করে।
—ঠাণ্ডা লাগলে জ্বর, গলাব্যথায় ভালো ওষুধ হিসেবে কাজ করে।
—মধু এন্টি অক্সিডেন্ট, যা ত্বকের রং ও ত্বক সুন্দর করে। ত্বকের ভাঁজ পড়া ও বুড়িয়ে যাওয়া রোধ করে।
—বুদ্ধিবৃত্তি বাড়ায়।
—শরীরের সামগ্রিক শক্তি বাড়ায় ও তারুণ্য বাড়ায়।
—ঠান্ডায় মধু নিয়মিত খেলে অতিরিক্ত ঠান্ডা লাগার প্রবণতা দূর হবে।
—মধুতে রয়েছে ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স, যা রক্তশূন্যতা, ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
—চা, কফি ও গরম দুধের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে হাঁচি, কাঁশি, জ্বর জ্বর ভাব, টনসিল, নাক দিয়ে পানি পড়া, জিহ্বার ঘা (ঠান্ডাজনিত) ভালো হয়।
—মধুর গুরুত্বপূর্ণউপকরণ ক্যালসিয়াম। ক্যালসিয়াম হাড়, চুলের গোড়া শক্ত রাখে, নখের ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধি করে, ভঙ্গুরতা রোধ করে।

হয়তো প্রশ্ন আসতে পারে খাটি মধু চিনবো কিভাবে ?
আসুন তাহলে জেনে নেই খাটি মধুর কিছু বৈশিষ্ট্য –
►খাটি মধুতে কখনো কটু গন্ধ থাকে না।
►মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক কোনো বিষাক্ত উপাদান প্রাকৃতিক গাছে থাকলেও তার প্রভাব মধুতে থাকে না।
►মধু সংরক্ষণে কোনো পৃজারভেটিভ ব্যবহৃত হয় না। কারণ মধু নিজেই পৃজারভেটিভ গুণাগুণ সম্পন্ন পুষ্টিতে ভরপুর খাদ্য।
►মধু উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাত, নিষ্কাশন, সংরক্ষণ ও বোতলজাতকরণের সময় অন্য কোনো পদার্থের সংমিশ্রণ প্রয়োজন হয় না।
►খাটি মধু পানির গ্লাসে ছাড়লে তা সরাসরি ঐ অবস্থায়ই গ্লাসের নিচে চলে যায়।
তাহলে কি চলুন এই শীতে আমাদের সংঙ্গী হোক খাটি সুন্দরবনের মধু . আর চলে যাই এই লিংকে: সুন্দরবনের খাটি মধুsundarbans-pure-honey-from-

STAY CONNECTED

23,877FansLike
4Subscribers+1

My Favorites

সৌন্দর্য চর্চার জন্য আমরা কতই কিছু না করে থাকি। কিন্তু সঠিক পদ্ধতি জানা থাকলে আপনি নিজে নিজেই যেকোন সৌন্দর্য সমস্যার সমাধান করতে পারবেন। যেমন...